বাড়ী নির্মাণ লোন

    জনতা ব্যাংক লিমিটেড - Janata Bank Ltd. বাড়ী নির্মাণ ফ্ল্যাট নির্মাণের জন্য সকল ধরনের সুযোগ সুবিধা দিয়ে আসছে। তাদের কাছে ঋণ নেওয়া সুবিধা সহ ঋণের সুদও কম দিতে হয়। এছাড়াও সরকারী ব্যাংক বিধায় ঋণ পরিশোধের সুযোগ সুবিধাও বেশি। জনতা ব্যাংক থেকে ব্যক্তিগত যৌথ ভাবে ঋণ নেওয়া যায়। ঋণ নিতে সকলের জন্য নিয়ম নীতি প্রায় একই। চলুন দেখে আসি কি কি সুযোগ সুবিধা অসুবিধা রয়েছে এই ঋণে।

     

    কারা ঋণ নিতে পারবেঃ

     

    ১। আবেদনকারীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে

    ২। ভাগিদারগণ বিনিয়োগ করার আর্থিক সামর্থ্য থাকতে হবে

    ৩। ঋন পরিশোধের জন্য অনুকুল ক্যাশ থাকতে হবে

    ৪। বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/ বিভাগ / অধিদপ্তর / পরিদপ্তর / কার্যালয়সমূহে শুধুমাত্র স্থায়ী পদের বিপরীতে নিয়োগপ্রাপ্ত (বেসামরিক / সামরিক) কর্মকর্তা / কর্মচারী।

    ৫। ঋণ প্রাপ্তির সর্বোচ্চ বয়স ৫৬ বছর।

    ৬। আবেদনকারীর মাসিক বেতন ভাতা Online/EFT পদ্ধতির আওতায় আসতে হবে।

     

    কারা ঋণ নিতে পারবে নাঃ

     

    ১। বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানীতে নিযুক্ত কর্মচারীগণ এই ঋণ নিতে পারবে না।

    ২। চুক্তিভিত্তিক, খন্ডকালীন অস্থায়ীভিত্তিতে নিযুক্ত কোন কর্মচারী এই ঋণ পারবে না।

    ৩। কোন কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা এবং দুর্নীতি মামলার চার্জশিট দাখিল হলে মামলার চূড়ান্ত নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ঋণ নেওয়ার যোগ্য হবে না।

     

     আবেদনকারীর নির্দেশনাঃ

     

    ১। আবেদনকারীকে জনতা ব্যাংকের ওয়েব সাইটে গিয়ে প্রাথমিকভাবে ট্র্যাকিং নম্বর সংগ্রহ করে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।

    ২। অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ করে একটি ট্র্যাকিং নম্বর দেওয়া হবে যা ডাউনলোড করে প্রিন্টআউট করতে হবে।

    ৩। আবেদনকারীকে জনতা ব্যাংকের ওয়েব পেইজ থেকে মূল আবেদন ফরম, ঋণের প্রাপ্যতা সংক্রান্ত প্রত্যয়ন, বেতন-ভাতা EFT এর মাধ্যমে প্রেরণ করে চেকলিস্ট সংগ্রহ করতে হবে।

    ৪। সর্বশেষ প্রাথমিক আবেদনপত্র (ট্র্যাকিং নম্বরসহ), মূল আবেদন পত্র(যথাযথ পূরণকৃত), সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট হতে ঋণের প্রাপ্যতা সংক্রান্ত প্রত্যয়ন, বেতন-ভাতা EFT এর মাধ্যমে প্রেরণ সংক্রান্ত প্রত্যয়ন এবং চেকলিস্টে উল্লেখিত প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্রসহ আবেদনকারী যে শাখা বরাবর অনলাইনে আবেদন করেছেন সে শাখায় জমা দিতে হবে। 

    ৫। জনতা ব্যাংক - Janata Bank Ltd. এর যে শাখা হতে ঋণ গ্রহনে ইচ্ছে আবেদনকারীকে  উক্ত শাখায় একটি হিসাব থাকতে হবে।

    ৬। উক্ত হিসাবের মাধ্যমে কর্মচারীর বেতন/ভাতা/পেনশন এবং গৃহ নির্মাণ বা ফ্ল্যাট ক্রয় ঋণ বিতরণ আদায়ের সমুদয় কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

     

    ঋণের সীমাঃ

     

    ১। মোট প্রাক্বলিত নির্মান ব্যয়ের সর্বোচ্চ ৬০ ভাগ

    ২।নির্মিত/নির্মিতব্য ভবনের ভাড়া যে পরিমান কিস্তি পরিশোধ সম্ভব সে পরিমান ঋণ মঞ্জুর করা যাবে।

     

    ঋণের সুদের হারঃ

     

    ১১% চক্রবৃদ্ধি (পরিবর্তনশীল-সুদের হার সংক্রান্ত সর্বশেষ সার্কুলার অনুসারে)

     

    ঋণের ধরণঃ

     

    মাসিক

     

    ঋণের মেয়াদ/সময়কালঃ

     

    ঋণ প্রদানের সময়কাল হতে  সর্বোচ্চ ১৫ বছর

     

    ঋণের জন্য জামানাতঃ

     

    সংশ্লিষ্ট জমি নির্মিতব্য / নির্মাণাধীন ভবন রেজিষ্টার্ড মর্টগেজ হিসাবে ব্যাংকের নিকট দায়বদ্ধ রাখতে হবে

     More Gadget >> 

    কি কি কাগজপত্র জমা দিতে হবেঃ

     

    . বেসরকারী/ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির জন্যঃ

     

    ১। আবেদনকারীর মূল মালিকানা দলিল এবং উক্ত দলিলের একটি ফটোকপি।

    ২। মূল দলিল পাওয়া না গেলে দলিল উত্তোলনের মূল রশিদ দলিল ফি বাবদ ২০০/- টাকা প্রদান করতে হবে।

    ৩। সি.এস, এস. আর.এস, বি.এস খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি।

    ৪। নামজারী খতিয়ানসহ ডি.সি. আর হালনাগাদ খাজনার রশিদ।

    ৫। এস./আর.এস রেকর্ডীয় মালিক থেকে স্বত্বের ধারাবাহিকতা প্রমাণের চেইন-অব-ডকুমেন্টস এর সত্যায়িত ফটোকপি।

    ৬। জেলা/সাব রেজিষ্টারের অফিস কর্তৃক ইস্যুকৃত ১২ (বার) বছরের তলস্নাশীসহ নির্দায় সার্টিফিকেট (এন..সি)

     

    . সরকারীভাবে জমির জন্যঃ

     

    ১। সরকার/জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ/(পূর্বেকার হাউজিং সেটেলমেন্ট)/রাজউক/ সিডিএ/ কেডিএ/ আরডিএ/ ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড/হাউজিং সোসাইটি (সরকার থেকে বরাদ্দপ্রাপ্ত জমি) ইত্যাদি কর্তৃক বরাদ্দকৃত জমি জন্য।

    ২। মূল বরাদ্দপত্র (এলোটমেন্ট লেটার)

    ৩। দখল হস্তান্তর পত্র (পজেশন লেটার)

    ৪। মূল লীজ দলিল উহার একটি সত্যায়িত ফটোকপি।

    ৫। মূল এলোটির কাছ থেকে হসত্মামত্মর মূলে মালিক হলে মূল মালিকানা দলিল এবং বরাদ্দকারী কর্তৃপক্ষের অফিসে নামজারীর কাগজপত্র।

    ৬। লীজ দাতা প্রতিষ্ঠান থেকে কর্পোরেশনের নিকট বন্ধক রাখার অনুমতি/অনাপত্তি পত্র (এন..সি) ইত্যাদি কাগজ পত্র দাখিল করতে হবে।

     

    সকল বিষয় সঠিক তথ্য বিস্তারিত জানতে নিকটস্থ জনতা ব্যাংক লিমিটেড - Janata Bank Ltd. যোগাযোগ করুন।

     

    ঋণের জন্য অনুমোদিত শাখাসমূহঃ

    তোপখানা রোড কর্পোঃ শাখা ,

    রাজউক ভবন কর্পোঃ শাখা ,

    নগর ভবন কর্পোঃ,মোহাম্মদপুর কর্পোরেট শাখা,

    সাতমসজিদ রোড কর্পোরেট শাখা,

    ঢাকা শেরাটন হোটেল কর্পোরেট শাখা,মহাখালী কর্পোরেট শাখা,

    উত্তরা মডেল টাউন কর্পোরেট শাখা,

    গুলশান সার্কেল - কর্পোরেট শাখা,কামাল আতাতুর্ক এ্যাভেনিউ কর্পোরেট শাখা,

    রাজারবাগ কর্পোরেট শাখা,

    যাত্রাবাড়ী কর্পোরেট শাখা,

    কাওরান বাজার কর্পোরেট শাখা,

    শান্তিনগর কর্পোরেট শাখা,

    মৌচাক মার্কেট কর্পোরেট শাখা,

    ধানমন্ডি কর্পোরেট শাখা,

    গাজীপুর কর্পোরেট শাখা,

    টংগী কর্পোরেট শাখা,

    সাভার কর্পোরেট শাখা,

    পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড কর্পোরেট শাখা,

    মিরপুর সেকশন - কর্পোরেট শাখা,

    মগবাজার কর্পোরেট শাখা,

    নবাব আব্দুল গনি রোড কর্পোরেট শাখা,

    শ্যামলী কর্পোরেট শাখা,

    গুলশান সার্কেল - কর্পোরেট শাখা,

    রজনীগন্ধা সুপার মার্কেট কর্পোরেট শাখা,

    জিরোপয়েন্ট কর্পোরেট শাখা,

    খিলগাঁও রোড শাখা,

    সোনার গাঁও রোড শাখা, ঢাকা

    বিবি রোড কর্পোরেট শাখা , নারায়নগঞ্জ

    সাধারন বীমা ভবন কর্পোরেট শাখা, চট্রগ্রাম।

    রাজশাহী , খুলনা ,সিলেট, বরিশাল বগুড়া কর্পোরেট শাখা।

    Post a Comment

    Please do not enter any spam link in the comment box.

    Previous Post Next Post