ইউটিউব YouTube

    ইউটিউবারদের প্রতিমাসে আয় কত?


    ইউটিউব YouTube থেকে আয়ের সহজ পথ হলো নিজেদের ভিডিওতে বিজ্ঞাপন প্রচার, অ্যাফিলিয়েট লিংক শেয়ার, ডোনেশন ভিডিও পাবলিশ, বিভিন্ন পণ্য বিক্রয় এবং স্পন্সর ভিডিও তৈরী করে। ইউটিউব থেকে আয় করাটা সহজও হলেও টিকে থাকাটা সহজ নয়, যদি আপনি নিজে কিছু না করতে পারেন। অন্যর ভিডিও বা কন্টেন চুরি করে ইচ্ছা মতো কপি পেষ্ট করে হয়তো দু চার মাস আয় করতে পারবেন তবে একদিন না একদিন আপনার চ্যানেলে কপি রাইট স্টাইক আসতে পারে। তাই নিজে কিছু করলে তা বহু দিন আয়ের পথ হতে পারে।


    বাংলাদেশে বহু ইউটিউবার আছে যার প্রতিমাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করে থাকে। কোন প্রতিষ্ঠানের কথা বলছি না, ব্যক্তিগত ভাবেও আপনি যদি নিজে শুরু করেন তবে, আপনার উদ্যোগ হবে সেরা উদ্যোগ। আপনি ইউটিউব চ্যানেল খুলতে চাইলে প্রথমে ইউটিউবে বেশ কিছু ইউটিউবার আছে যারা শিখিয়ে থাকেন কি ভাবে কোন পদ্ধতিতে ইউটিউব চ্যানেল সঠিক গাইড লাইন দিয়ে খোলা যায়। তার পরই শুরু করুন। কারো কথায় না বুঝে চ্যানেল খুলে আগাতে পারবেন না।

     

    চলুন দেখে আসা যায় কি কি উপায়ে ইউটিউব থেকে আয় করা যায়।

    ১। গুগলের বিজ্ঞাপন প্রচার করে।

    ২। অ্যাফিলিয়েট লিংকের শেয়ার করে।

    ৩। ডোনেশন এর মাধ্যমে আয়।

    ৪। বিভিন্ন পণ্যে বিক্রয় করে।

    ৫। স্পন্সার ভিডিও তৈরী করে।


    বিজ্ঞাপন প্রচার করে আয়


    ইউটিউব YouTube এর প্রথম ও সহজ আয়ের পথ হলো বিজ্ঞাপন প্রচার করে, সেটা হতে পারে গুগল কিংবা অন্য কোন কোম্পানীর বিজ্ঞাপন। আপনি যে ভিডিও তৈরী করে ইউটিউবে প্রচার করেছেন। সেটা যদি ইউটিউবে শর্তাবলীর ( যেমন আপনার চ্যানেলে ১০০০ সাবস্কাইপ এবং ৪০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম হয়) মধ্যে পড়ে তবে আপনার ভিডিওতে ইউটিউব বিজ্ঞাপন প্রচার করবে। বিজ্ঞাপন প্রচার করার জন্য আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমান রেটে টাকা প্রদান করবে। এছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আছে যারা আপনার ভিডিও মনিটাইজেশন করে তারা বিজ্ঞাপন প্রচার করে আপনাকে ইনকাম প্রদান করবে। ইউটিউব ছাড়া অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের শর্ত সহজ হয়ে থাকে। তবে তাদের সাথে একটি নির্দিষ্ট সময় থাকতে হতে পারে।

     

    সবচেয়ে সহজ কথা হলো আপনার কাজ হবে শুধুমাত্র ইউটিউব চ্যানেন খুলে ভিডিও আপলোড করা। আপনার ভিডিওর মান ভাল হলে আপনি দু-এক মাসের মধ্যেই মনিটাইজেশন পেতে পারেন। ইউটিউবে মনিটাইজেশন কি চানতে বিভিন্ন ভিডিও দেখতে পারেন। আর কিভাবে গুগল এডসেন্স এর মাধ্যেমে আপনার প্রদান করা ব্যাংকে টাকা চলে আসেবে সেটারও বহু ভিডিও ইউটিউবে পাওয়া যাবে, দেখে নিতে পারে। তবে আপনার চ্যানেলে কমপক্ষে ১০ ডলার হলে তবেই ব্যাংক একাউন্ট সাবমিট করতে পারেন।


    আরও পড়ুন >> অনলাইনে আয় করুন বিকাশে পেমেন্ট নিন

     

    অ্যাফিলিয়েট লিংকের শেয়ার করে


    ইউটিউব YouTube থেকে আয় করার দ্বিতীয় উপায় হলো অ্যাফিলিয়েট লিংক শেয়ার করে। বিজ্ঞাপন থেকে আয় সবসময় খুব বেশি হবে এমন নয় তখন আপনি চাইলে আপনার ভিডিও ডেসক্রিপশনে অ্যাফিলিয়েট লিংক Affiliate Link রেখেও আয় করতে পারেন। আপনি কোন কোম্পানির সাথে চুক্তিবন্ধ হয়ে তাদের পণ্যের লিংক আপনার ভিডিওর ডেসক্রিপশনে দিয়ে ভিডিওর মাধ্যে এই পণ্যটির ব্যাপারে কথা বলে উক্ত পণ্য বিক্রয় অথবা পণ্যের সেবা প্রদান করেও আয় করতে পারেন।

    আর যদি আপনার নিজের কোন প্রতিষ্ঠান থাকে তবে সোনায় সোহাগা। আপনার ভিডিও থেকে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে আয় পাওয়ার সাথে সাথে আপনার প্রতিষ্ঠানের পণ্যের বিক্রয় করতে পারবেন। আর যদি অন্যের পণ্য বিক্রয় করে দেন সেখান থেকেও নির্দিষ্ট পরিমান কমিশন লাভ করে আয় করতে পারেন। এমন অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যেমন, তাদের নাম নিম্নরূপঃ

    affiliate marketing

    ইন্টারনেশনাল ১০টি অ্যাফিলিয়েট সাইটঃ

    ১। Amazon আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং

    ২। Aliexpress আলীএক্সপ্রেস এফিলিয়েট মার্কেটিং

    ৩। Clickbank.com ক্লিকব্যাংক এফিলিয়েট মার্কেটিং

    ৪। Rakuten রাকুটেন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং প্রোগ্রাম নেটওয়ার্ক

    ৫। Themeforest থিমফরেস্ট অ্যাফিলিয়েট

    ৬। Commission Junction অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

    ৭। eBay.com অ্যঅফিলিয়েট প্রাগাম

    ৮। Fiverr ফাইবারের এফিলিয়েট প্রগ্রাম

    ৯। bluehost ওয়েব হোস্টিংয়

    ১০। Wix অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

     

    বাংলাদেশে সেরা ১০টি অ্যাফিলিয়েট সাইট

    ১। BDSHOP অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম

    ২। SOHOJ AFFILITES প্রোগ্রাম

    ৩। SHOPNOBARI অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম

    ৪। SHOHOZSELL অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম

    ৫। JHAKKASH অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম

    ৬। BOHUBRIHI ONLIN COURSE

    ৭। POPULAR HOST BD

    ৮। REPTO ONLINE EDUCATION

    ৯। BIANAHOST

    ১০। হোস্টিং বাংলাদেশ


    (দেশ বিদেশের সকল অ্যাফিলিয়েট প্রাগ্রামের উপর আলাদা আলাদা কন্টেন পাওয়া যাবে। পরবর্তীতে আমাদের সাইটটি খুজে পেতে Follow করে রাখতে পারেন, আপনার মূল্যবান শিক্ষনীয় বিষয় আমাদের সাইটে মিস করতে না চাইলে)

     

    ডোনেশন এর মাধ্যমে আয়


    ইউটিউব YouTube এ আপনি এমন কিছু ভিডিও তৈরী করুন, যেখানে আপনার ফ্যান ফলোয়ার প্রচুর হয়। তার আপনার কথায় আপনাকে বিশ্বাস করে, আপনাকে পছন্দ করে। আপনার ভিডিও তৈরীতে সাহায্যে করে থাকে। আপনার চ্যানেনের ফ্যানরা আপনার ভিডিও দেখে আপনাকে কিছু অর্থ নিজের পকেট থেকে ডোনেট করার করতে চাই আর একেই ডোনেশন ইউটিউব বলে।


    মনে করেন আপনি ভিডিও তৈরীর উপকরণ কিনতে চাইছেন, তখন আপনার ফ্যানরা সেটা আপনাকে গিফট করতে পারে। আপনি কোন ভিউয়ার্সদের কাছ থেকে তাদের চ্যানেলের জন্য যেন কিছু অর্থায়ন কিছুটা সহোযোগিতা চলতে পারে।


    ডোনেশন এর মাধ্যমে আপনি কোনদিনও অতি তাড়াতাড়ি বড়লোক হতে পারবেন না হয়তো। তবে ডোনেশনের মাধ্যমে আপনি শুধু সামান্য কিছু অর্থ আয় করতে পারবেন।


    আরও পড়ুন >> রূপালী ব্যাংক ডিপিএস স্কিম । Rupali Bank DPS


    বিভিন্ন পণ্য বিক্রয় করে আয়


    নিজের পণ্য বিক্রয় করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো ইউটিউব YouTube.  নিজের পণ্য বিক্রয় করে আয় করার জন্য ইউটিউবারদের অনেক বেশি ফেলোয়ার থাকতে হবে। তবেই এই কাজ সহজ হবে। আপনি  চ্যানেলের লোগো দিয়ে টি-শার্ট, চাবির রিং, ব্যাগ ইত্যাদি তৈরি করে সেটা চ্যানেলের ফ্যানদের কাছে বিক্রি করতে পারেন। এতে করে আপনার চ্যানেলে প্রচার হচ্ছে এবং আপনার বিক্রয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে।


    অনেক ইউটিউবাররা এভাবেই প্রচুর পরিমাণে অর্থ উপার্জন করে থাকে। এতে সহজে অনেক অর্থের মালিক বনে যাচ্ছেন। এটি হচ্ছে ইউটিউবারদের আয়ের অন্যতম হাতিয়ার। আপনি একটি পণ্য দোকান ভাড়া করে সেখানে কর্মচারী নিয়ে বিক্রয় করে যে লাভ পাবেন তার চাইতে অধিক লাভে বাড়ী থেকে বিক্রয় করতে পারবে ইউটিউবরা।


    স্পন্সার ভিডিও তৈরী করে


    স্পন্সার ভিডিও তৈরী ইউটিউব YouTube থেকে আয় হলো তেলে মাথায় তেল দেওয়ার মতো। মনে করেন আপনার চ্যানেলে লক্ষাধিক ভিউয়ার আছে, আপনি কোন কোম্পানীর নাম প্রচার করলেন তখন খুব সহজেই ভিউয়ারদের কাছে পৌছে যায় তার বিনিময়ে উক্ত কোম্পানী ইউটিউবারদর টাকা প্রদান করে। অন্য কোন কোম্পানি আপনাকে টাকা দিবে যাতে করে আপনার ভিডিওতে আপনি সেই কোম্পানির কথা কথা প্রচার করেন।

    bd shop

    বাংলাদেশে সেরা ১০টি স্পন্সার সাইট

    ১। BDSHOP স্পন্সার প্রোগ্রাম

    ২। SOHOJ AFFILITES স্পন্সার প্রোগ্রাম

    ৩। SHOPNOBARI স্পন্সার প্রোগ্রাম

    ৪। SHOHOZSELL স্পন্সার প্রোগ্রাম

    ৫। JHAKKASH স্পন্সার প্রোগ্রাম

    ৬। BOHUBRIHI ONLIN COURSE

    ৭। POPULAR HOST BD

    ৮। REPTO ONLINE EDUCATION

    ৯। BIANAHOST

    ১০। হোস্টিং বাংলাদেশ


    (এছাড়াও আপনি বিভিন্ন কোম্পানী ও দোকানের পণ্যের স্পন্সার করেও আয় করতে পারে, তবে স্পন্সার করার আগে তাদের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে নিতে ভুলবেন না)


    এতে করে আপনার অর্থ উপার্জন হলো এবং কোম্পানিরও লাভ হয়ে গেলো। আবার কোন কোম্পানি আপনাকে এতো পরিমাণে টাকা দিবে যাতে করে আপনি এমনভাবে ভিডিও তৈরি করবেন যেখানে সেই কোম্পানির কথা উল্লেখ থাকবে  এবং মানুষের চোখে পড়বে। বিষয়টা অনেকটা টিভি চ্যানেল মতো সেখানে বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য কেউ আপনাকে অর্থ প্রদান করে।


    সবশেষ কথা হলো অনলাইনে আয় করতে হলে প্রথমেই আপনাকে বেছে নিতে হবে ইউটিউব YouTube. এটা যেমন হতে পারে আপনার আয়ের উৎস, তেমনি বিনোদনও । অনেকেই আছে যে শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য ইউটিউব চ্যানেল খুলেন। আপনি সেটাও করতে পারেন।


    New Gadget >> OPPO F21 Pro | Specifications | BD Price


    Post a Comment

    Please do not enter any spam link in the comment box.

    Previous Post Next Post